বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রায় নাজুক হয়ে পরা পরিস্থিতিতে এবারের বাজেট নিয়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই একটু ভিন্নভাবে ভাবতে হচ্ছে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে। এবার বাজেটে তার মূল লক্ষ্য পিছিয়ে পরা অর্থনীতির ঘাটতি পূরণ করা। এজন্যই এবারের বাজেটের শিরোনাম করা হয়েছে- “অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা”। সরকারের অতীত অর্জন ও চলমান পরিস্থিতির সমন্বয়ে করা হয়েছে এই বাজেট। সঙ্গত কারণেই এবছর বাজেটে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে স্বাস্থখাতে। পাশাপাশি মানুষ যেন খাদ্যহীন হয়ে না পরে, কৃষক যেন নিরাপদে খাদ্য উৎপাদন করতে পারে, সেজন্য কৃষি খাত, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা খাত কে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া করোনার এই দুর্যোগকালীন সময়ে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখা, হঠাৎ করে কর্মহীন হয়ে পরা মানুষকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করা, বেকারত্ব যেন দেশকে নতুন কোন সমস্যার মধ্যে না নিয়ে যায়, এসব দিক মাথায় রেখে আগামি এক বছরে সরকারের ব্যায়ের জন্য মুস্তফা কামাল আনুমানিক ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা খরচের একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের সামনে উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন। যা চলতি অর্থ বছর (২০১৯-২০২০)-এর সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। চলতি (২০১৯-২০) অর্থ বছরের বাজেটের আকার ছিল ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এদিকে বিশ্বব্যাপী চলমান দুঃসময়ে আয়ের মূল উৎস রাজস্ব আদায় তলানিতে ঠেকলেও,ব্যায় বেড়েছে ব্যাপক হারে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় বাজেটের ঘাটতি পূরণ হবে কিভাবে, তা হয়তো সময় হলেই জানা যাবে। আশা করা যাচ্ছে একটি দরিদ্র বান্ধব বাজেট হতে চলেছে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ।

বিশ্বব্যাপী করোনার মহামারি কালে কেমন হচ্ছে আগামি ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজে….

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here