৬ জুন,২০২০ ইং তারিখ শনিবারে প্রার্থনা ও পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য নাটোর-১ (লালপু-বাগাতিপাড়) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদ জননেতা মমতাজ উদ্দিন-এর ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টার সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল এমপি মহোদয়ের উপস্থিতিতে শহিদ মমতাজ উদ্দিনের বাড়ির পাশে অবস্থিত তাদের পারিবারিক কবরস্থানে কবর জিয়ারত শেষে “চিরঞ্জীব মমতাজ স্মরণ সৌধ”-তে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন মাননীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল এমপি, শহিদ মমতাজ উদ্দিনের একমাত্র ছেলে শামিম আহম্মেদ সাগর, গোপালপুর পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক উপল পাল সজল ও লালপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক মুকুল। বক্তব্যে এমপি শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন- ” যারা মমতাজ উদ্দিনের মত ভালো মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, যারা এই জনপদে সন্ত্রাসী, লুটপাট, খুনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করেছে,তারা আর কোন দিনও এই জনপদে রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না। আমি মমতাজ ভাইয়ের আদর্শে তার দেখানো পথে রাজনীতি করে যেতে চাই।” শহিদ মমতাজ উদ্দিনের ছেলে শামিম আহম্মেদ সাগর তার বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন- “আমার বাবা আপনাদের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছে।তার জনপ্রিয়তার কারণে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। তার এই জনপ্রিয়তা কে কাজে লাগিয়ে তার নাম ব্যবহার করে অনেকেই অনেক কিছু করে নিয়েছে। সএই দিক থেকে মমতাজ উদ্দিনের পরিবার হিসেবে আমরা সব দিক থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এমপি বকুল চাচা আমার বাবার অনেক কাছের একজন ছিল, আমরা তার সাথে একত্রিত হয়ে পথ চলতে চাই।”

উল্লেখ্য গত ০৬ জুন,২০০৩ সালে রাত আনুমানিক ১১ টার সময় গোপালপুর থেকে তার বাড়ি আব্দুলপুর যাওয়ার পথে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর মামলা হলে নানা ধরনের প্রতিকূলতা শেষে চার্জশিট দেয় পুলিশ। দশ বছর মামলা চলার পরে অবশেষে ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ৯ জনকে যাবজ্জীবন ও ৩ জনকে খালাস দেয় রাজশাহী দ্রুতবিচার ট্রাইবুনাল ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here